Posts

#কিডনির উপকারী খাবারগুলো --------

  কিডনির সুরক্ষায় নিয়মিত যা খাবেনঃ ১। পেঁয়াজঃ পেঁয়াজে আছে প্রচুর পরিমাণে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা পঁচনরোধী উপাদান। যা কিডনিকে বিষমুক্তকরন এবং পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। এতে পটাশিয়াম, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি কম থাকে। ফলে পেঁয়াজ চর্বি, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটস হজমে সহায়তা করে। ২। বেরিঃ বেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন সি, খাদ্য আঁশ এবং ফোলেট। স্ট্রবেরি, ক্র্যানবেরি, র‌্যাস্পবেরি এবং ব্লুবেরি কিডনির জন্য বেশ উপকারী বলে বিবেচিত হয়। বেরিতে আছে প্রদাহরোধী এবং পঁচনরোধী উপাদান এবং মূত্রাশয়ের কার্যক্রমেরও উন্নতি ঘটায়। ৩। অলিভ অয়েলঃ সকলেই জানেন অলিভ অয়েল হার্টের জন্য ভালো। কিন্তু সেটি যে কিডনির জন্যও উপকারী তা জানেন কি? এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রদাহরোধী ফ্যাটি এসিড যা জারণ কমিয়ে কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে। সালাদে বা রান্নায় এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। ৪। বাধাকপিঃ এতে আছে ফাইটোকেমিক্যালস, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, এবং ভিটামিন কে এবং আঁশ ও ফলিস এসিড। এই সবগুলো উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত কিডনির মেরামত এবং কিডনিকে সচল রাখতে সহায়তা করে। ২. মাছঃ এতে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড ...
#রাসূলের অতিথি আপ্যায়ন।   অ’তিথিপরায়ণতার আদর্শ ছিলেন প্রিয় নবী মুহাম্ম’দ (সা.)। অ’তিথিদের সামনে তিনি ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল। যেকোনো মেহমানকেই জানাতেন তিনি সাদর আমন্ত্রণ ও উষ্ণ অভ্যর্থনা। ধ’র্ম-বর্ণ ও শত্রু-মিত্রের ফারাক তিনি করতেন না। অ’তিথিদের কাছ থেকে কোনো অসৌজন্যতা প্রকাশ পেলেও ধৈর্য ধরতেন। আদর-আপ্যায়নের যেন কোনো ত্রুটি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতেন। বিদায়বেলায় মেহমানের হাতে তুলে দিতেন উপহার-উপঢৌকন। তার আন্তরিক আতিথেয়তায় অ’তিথিরা মুগ্ধ-বিস্মিত হতো। সেই মুগ্ধতা অনেক মেহমানকে ইস’লাম গ্রহণে বাধ্য করেছে। আতিথেয়তার ফজিলত আতিথেয়তার ফজিলত বর্ণনা করে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বা’স রাখে সে যেন তার মেহমানের সমাদর করে।’ (মু’সলিম, হাদিস : ৭৯) সালমান ফারসি (রা.) বলেন, ‘একবার আমি রাসুল (সা.)-এর কাছে এলাম। একটি বালিশে হেলান দিয়ে তিনি বসা ছিলেন। আমাকে দেখে তিনি বালিশটি আমা’র দিকে এগিয়ে দিলেন।’ বললেন, ‘সালমান, যখন কোনো মু’সলমান তার ভাইয়ের কাছে আসে তখন তার সম্মানে যদি একটি বালিশও সে এগিয়ে দেয়, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।’ (হায়াতুস সাহাবা, পৃষ্ঠা : ৪৪৬) সর্বজনী...

নিমের উপকারিতা নিয়ে কিছু কথাঃ-আব্দুল্লাহ সম্রাট

নিমের গাছের বহুবিধ উপকারিতা CONTENTS নিমের কিছু ঔষধি গুণ খোস পাচড়া বা চুলকানি কৃমিনাশক ত্বক দাতের রোগ রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে চুল উকুন বিনাশে খুশকি বিনাশে ওজন কমাতে রক্ত পরিষ্কার করে ঠান্ডাজনিত বুকের ব্যথা পোকা-মাকড়ের কামড় জন্ডিস ভাইরাস রোগ ম্যালেরিয়া বাত চোখ ব্রণ দূর করতে ছত্রাকের ইনফেকশন দূর করতে ক্ষত নিরাময়ে অজীর্ণ অ্যালার্জি একজিমা নিমের বিভিন্ন অংশ কীভাবে উপকারী পাতা ছাল নিমতেল নিম চা নিম দাঁতন নিম ,ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ। আকৃতিতে ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। এর কান্ড ২০-৩০ ইঞ্চি ব্যাস হতে পারে। ডালের চারদিকে ১০-১২ ইঞ্চি যৌগিক পত্র জন্মে। পাতা কাস্তের মত বাকানো থাকে এবং পাতায় ১০-১৭ টি করে কিনারা খাঁজকাটা পত্রক থাকে। পাতা ২.৫-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়। নিম গাছে এক ধরনের ফল হয়। আঙুরের মতো দেখতে এ ফলের একটিই বিচি থাকে। জুন-জুলাইতে ফল পাকে, ফল তেতো স্বাদের।ভারত এবং বাংলাদেশের প্রায় সবত্রই নিম গাছ জন্মে। প্রাপ্ত বয়স্ক হতে সময় লাগে ১০ বছর। নিম গাছ সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়া প্রধ...

টাখনুর নীচে কাপড় পরিধান এর বিষয় নিয়ে ইসলামী কথা বার্তা

প্রশ্নঃ (২১৪) টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরিধান করা যদি অহংকার বশতঃ হয় তবে তার শাস্তি কি? কিন্তু যদি অহংকার বশতঃ না হয় তবে তার শাস্তি কি? আবু বকরের হাদীছ দ্বারা যারা দলীল পেশ করে তাদের দাবীর কি জবাব? লুঙ্গি, পায়জামা, প্যান্ট ইত্যাদি কাপড় যদি পায়ের কিঞ্চিৎ নিচে ঝুলিয়ে পরিধান করা হয় এবং তাঁর উদ্দেশ্য হয় অহংকার করা, তবে তাঁর শাস্তি হল – কিয়ামত দিবসে আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর দিকে দৃষ্টি দিবেন না, তাঁর সাথে কথা বলবেন না, তাকে পবিত্র করবেন না এবং তাঁর জন্য রয়েছে  যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আর যদি অহংকারের সাথে নয় বরং সাধারণভাবে কাপড় ঝুলিয়ে পরে, তবে তাঁর শাস্তি হল –তাঁর টাখনুদ্বয়কে জাহান্নামের আগুনে পোড়ানো হবে। কেননা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ   ثَلاَثَةٌ   لاَ   يُكَلّمُهُمُ   اللّهُ   يَوْمَ   الْقِياَمَةِ   وَلاَ   يَنْظُرُ   إلَيْهِمْ   وَلاَ   يُزَكّيْهِمْ   وَلَهُمْ   عَذاَبٌ   ألِيْم :  المُسْبِلُ   وَالمَنَّانُ   وَالْمُنْفِقُ   سِـلْعَتَهُ   بـاِلْحَلِفِ   الكـاَذِبِ “...
৭৮৬ মানে কি বিসমিল্লাহ নাকি হরে কৃষ্ণ? আমাদের দেশে আমরা অনেকেই বিভিন্ন চিঠি-পত্র, নিমন্ত্রন পত্র, অফিসের প্যাড, লিফলেট, পোস্টার, ব্যানার, নেইমপ্লেট, ঘরের দরজা ইত্যাদি স্থানে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম" না লিখে সংক্ষেপে ৭৮৬ লিখে থাকি। এটা কতটুকু যৌক্তিক এবং ইসলামসম্মত তা নিম্মে তুলে ধরা হলো। ╭✿╯প্রথমেই আসুন দেখে নেই বিসমিল্লাকে কিভাবে ৭৮৬ তে রুপান্তরিত করা হলোঃ রোমান সংখ্যায় যেমন V=5, X=10, L=50, C=100, D=500, M=1000 বুঝানো হয়, তেমনি ভাবে আরবি ভাষার প্রতিটি বর্ণেরও একটি নির্দিষ্ট মান আছে। আরবি ২৮টি বর্ণের মান নিম্নরূপঃ ا= ১, ب=২, ج=৩, د=৪, هـ=৫, و=৬,ز= ৭, ح=৮, ط=৯ ي=১০, ك= ২০, ل=৩০, م=৪০,ن=৫০, س=৬০, ع=৭০,ف=৮০, ص=৯০ ق=১০০, ر=২০০, ش=৩০০, ت=৪০০, ث=৫০০,  خ=৬০০, ذ=৭০০, ض=৮০০, ظ=৯০০ غ=১০০০ ╭✿╯বিসমিল্লাহর বর্ণগুলোর মানঃ  আরবিতে বিসমিল্লহির রাহমানির রাহীম লিখতে যে বর্ণগুলো ব্যবহৃত হয়েছে তা হলো- (ب، س، م، ا، ل، ل، ه، ا، ل، ر، ح، م، ا، ن، ا، ل، ر، ح، ي، م) বর্ণগুলোর মান বসায়ে যোগ করলে আমরা পাই- (২+৬০+৪০+১+৩০+৩০+৫+১+৩০+২০০+৮+৪০+১+৫০+১+৩০+২০০+৮+১০+৪০)= ৭৮৭ এখানে দেখা গেল ...
     ছাত্ররাজনীতি বনাম রাজনীতি   আবরার ফাহাদ হত্যা বাংলাদেশের অন্যতম ন্যাক্কারজনক খবর গুলোর একটি। যেটা হৃদয় প্রকম্পিত, শিরা উপশিরার দিকবিদিকশুন্য প্রবাহের মত। আমরা লজ্জিত এই জন্যই যে বাংলাদেশের নামকরা এবং সর্বোচ্চ মেধাবী মুখদের আবাসনের মাঝে লুকায়িত পশুত্বকে দেখে। আমরা ভীত সন্ত্রস্ত, আমরা নির্বাক শ্রোতা হয়ে হাত পা গুড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছি লাল সবুজের বুকে কিন্তু হায়!! করার কিছুই নেই। যেখানে বসে ১৬ কোটি জনতাকে দেশের পূর্ণতা আর অপূর্ণতার স্বপ্ন দেখায় সেখানে জাগ্রত হিংস্রের মুখোশ দিয়ে পিটিয়ে নিভিয়ে দেয়া হয়েছে প্রজ্জ্বলিত এবং উদ্দীপিত এক স্ফুলিঙ্গকে, অপার সম্ভাবনার এক মেধাবী তারুণ্যকে। জানি বিশ্ববিদ্যালয় সভ্যতা শেখায়, অপূর্ণতা এবং অপূর্নাঙ্গ জীবনের অধ্যায়গুলোকে পূর্নিমার আলোর মত পূর্ণতা দেয়। তীব্রতর অন্ধকারে আলোর মশাল জ্বালাতে শেখায় । তবে আজ ঠিক যেন তার উল্টো প্রতিক্রিয়া আর কর্মকাণ্ডের সমীকরণ দেখে আমরা কোন কিছুই মেলাতে পারছিনা কারণ প্রারম্ভিক স্বাধীনতার ঊষালগ্নে যে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার চেতনা সেগুলো আজ মৃতপ্রায়। চেতনার আত্মাহুতি যেন হুংকারিত করছে যতসব আবেগকে। সেই সাথ...
             🤔  ঘুমন্ত বিবেক🤔 ঘুমন্ত বিবেকবোধ আর বিকৃতমস্তিষ্ক আমাদের চিন্তাহরণ করে যাচ্ছে।আমরা সবকিছু এখন রাজনীতির  সংজ্ঞানাশক দিয়ে বিচারালয়ের আয়োজন করি।মানবতাবাদের দুর্লভতা আজ ক্ষণেক্ষণে  প্রতিফলিত। আমরা প্রতিপক্ষীয় একে অপরের। ভুলে গেছি তারা যে সৃষ্টির সেরা জীব,বিবেক-বুদ্ধিতে অপরিমেয় ও অতুলনীয়ভাবে অলংকৃত। অতচ সে আমরা, অন্যের সম্মানকে ধুলোয় মিশিয়ে নিজেকে সেরাদের সেরা হিসেবে তুলে ধরতে বড়ই ব্যস্তবাগীশ।নিজে নিজেকে নেতাজী হিসেবে তুলে ধরতে মরিয়া হয়ে উঠেছি। নিজের পরিচয় ভুলে গিয়ে,নিজের পিতার পরিচয় ভুলে গিয়ে কথায় কথায় এলাকার বড়ভাই,অমুকচন্দ্র হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছি।নিত্যকালের ডায়ালগ "এই তুই আমাকে ছিনিস,আমি কার লোক?তুমি এতই নিচে নেমে গেছ যে নেতার জন্য অকাতরে নিজের মুল্যবান জীবননগর ধ্বংসিকার স্তূপীকৃত করে যাচ্ছ।ন্যায়-অন্যায়,সত্য-মিথ্যা মেপে বিবেকবুদ্ধি দিয়ে রায় দিতে অক্ষম।আঠার মত লেগে আছো পদের জন্য,ব্যানারে ছবি ছাপানোর জন্য, নেতার সাথে ফেইসবুকের প্রোফাইল পিক দেওয়ার জন্য।কিন্তু কেন?