#রাসূলের অতিথি আপ্যায়ন। অ’তিথিপরায়ণতার আদর্শ ছিলেন প্রিয় নবী মুহাম্ম’দ (সা.)। অ’তিথিদের সামনে তিনি ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল। যেকোনো মেহমানকেই জানাতেন তিনি সাদর আমন্ত্রণ ও উষ্ণ অভ্যর্থনা। ধ’র্ম-বর্ণ ও শত্রু-মিত্রের ফারাক তিনি করতেন না। অ’তিথিদের কাছ থেকে কোনো অসৌজন্যতা প্রকাশ পেলেও ধৈর্য ধরতেন। আদর-আপ্যায়নের যেন কোনো ত্রুটি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতেন। বিদায়বেলায় মেহমানের হাতে তুলে দিতেন উপহার-উপঢৌকন। তার আন্তরিক আতিথেয়তায় অ’তিথিরা মুগ্ধ-বিস্মিত হতো। সেই মুগ্ধতা অনেক মেহমানকে ইস’লাম গ্রহণে বাধ্য করেছে। আতিথেয়তার ফজিলত আতিথেয়তার ফজিলত বর্ণনা করে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বা’স রাখে সে যেন তার মেহমানের সমাদর করে।’ (মু’সলিম, হাদিস : ৭৯) সালমান ফারসি (রা.) বলেন, ‘একবার আমি রাসুল (সা.)-এর কাছে এলাম। একটি বালিশে হেলান দিয়ে তিনি বসা ছিলেন। আমাকে দেখে তিনি বালিশটি আমা’র দিকে এগিয়ে দিলেন।’ বললেন, ‘সালমান, যখন কোনো মু’সলমান তার ভাইয়ের কাছে আসে তখন তার সম্মানে যদি একটি বালিশও সে এগিয়ে দেয়, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।’ (হায়াতুস সাহাবা, পৃষ্ঠা : ৪৪৬) সর্বজনী...
Posts
Showing posts from March, 2020