৭৮৬ মানে কি বিসমিল্লাহ নাকি হরে কৃষ্ণ? আমাদের দেশে আমরা অনেকেই বিভিন্ন চিঠি-পত্র, নিমন্ত্রন পত্র, অফিসের প্যাড, লিফলেট, পোস্টার, ব্যানার, নেইমপ্লেট, ঘরের দরজা ইত্যাদি স্থানে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম" না লিখে সংক্ষেপে ৭৮৬ লিখে থাকি। এটা কতটুকু যৌক্তিক এবং ইসলামসম্মত তা নিম্মে তুলে ধরা হলো। ╭✿╯প্রথমেই আসুন দেখে নেই বিসমিল্লাকে কিভাবে ৭৮৬ তে রুপান্তরিত করা হলোঃ রোমান সংখ্যায় যেমন V=5, X=10, L=50, C=100, D=500, M=1000 বুঝানো হয়, তেমনি ভাবে আরবি ভাষার প্রতিটি বর্ণেরও একটি নির্দিষ্ট মান আছে। আরবি ২৮টি বর্ণের মান নিম্নরূপঃ ا= ১, ب=২, ج=৩, د=৪, هـ=৫, و=৬,ز= ৭, ح=৮, ط=৯ ي=১০, ك= ২০, ل=৩০, م=৪০,ن=৫০, س=৬০, ع=৭০,ف=৮০, ص=৯০ ق=১০০, ر=২০০, ش=৩০০, ت=৪০০, ث=৫০০, خ=৬০০, ذ=৭০০, ض=৮০০, ظ=৯০০ غ=১০০০ ╭✿╯বিসমিল্লাহর বর্ণগুলোর মানঃ আরবিতে বিসমিল্লহির রাহমানির রাহীম লিখতে যে বর্ণগুলো ব্যবহৃত হয়েছে তা হলো- (ب، س، م، ا، ل، ل، ه، ا، ل، ر، ح، م، ا، ن، ا، ل، ر، ح، ي، م) বর্ণগুলোর মান বসায়ে যোগ করলে আমরা পাই- (২+৬০+৪০+১+৩০+৩০+৫+১+৩০+২০০+৮+৪০+১+৫০+১+৩০+২০০+৮+১০+৪০)= ৭৮৭ এখানে দেখা গেল ...
Posts
Showing posts from October, 2019
- Get link
- X
- Other Apps
ছাত্ররাজনীতি বনাম রাজনীতি আবরার ফাহাদ হত্যা বাংলাদেশের অন্যতম ন্যাক্কারজনক খবর গুলোর একটি। যেটা হৃদয় প্রকম্পিত, শিরা উপশিরার দিকবিদিকশুন্য প্রবাহের মত। আমরা লজ্জিত এই জন্যই যে বাংলাদেশের নামকরা এবং সর্বোচ্চ মেধাবী মুখদের আবাসনের মাঝে লুকায়িত পশুত্বকে দেখে। আমরা ভীত সন্ত্রস্ত, আমরা নির্বাক শ্রোতা হয়ে হাত পা গুড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছি লাল সবুজের বুকে কিন্তু হায়!! করার কিছুই নেই। যেখানে বসে ১৬ কোটি জনতাকে দেশের পূর্ণতা আর অপূর্ণতার স্বপ্ন দেখায় সেখানে জাগ্রত হিংস্রের মুখোশ দিয়ে পিটিয়ে নিভিয়ে দেয়া হয়েছে প্রজ্জ্বলিত এবং উদ্দীপিত এক স্ফুলিঙ্গকে, অপার সম্ভাবনার এক মেধাবী তারুণ্যকে। জানি বিশ্ববিদ্যালয় সভ্যতা শেখায়, অপূর্ণতা এবং অপূর্নাঙ্গ জীবনের অধ্যায়গুলোকে পূর্নিমার আলোর মত পূর্ণতা দেয়। তীব্রতর অন্ধকারে আলোর মশাল জ্বালাতে শেখায় । তবে আজ ঠিক যেন তার উল্টো প্রতিক্রিয়া আর কর্মকাণ্ডের সমীকরণ দেখে আমরা কোন কিছুই মেলাতে পারছিনা কারণ প্রারম্ভিক স্বাধীনতার ঊষালগ্নে যে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার চেতনা সেগুলো আজ মৃতপ্রায়। চেতনার আত্মাহুতি যেন হুংকারিত করছে যতসব আবেগকে। সেই সাথ...
- Get link
- X
- Other Apps
🤔 ঘুমন্ত বিবেক🤔 ঘুমন্ত বিবেকবোধ আর বিকৃতমস্তিষ্ক আমাদের চিন্তাহরণ করে যাচ্ছে।আমরা সবকিছু এখন রাজনীতির সংজ্ঞানাশক দিয়ে বিচারালয়ের আয়োজন করি।মানবতাবাদের দুর্লভতা আজ ক্ষণেক্ষণে প্রতিফলিত। আমরা প্রতিপক্ষীয় একে অপরের। ভুলে গেছি তারা যে সৃষ্টির সেরা জীব,বিবেক-বুদ্ধিতে অপরিমেয় ও অতুলনীয়ভাবে অলংকৃত। অতচ সে আমরা, অন্যের সম্মানকে ধুলোয় মিশিয়ে নিজেকে সেরাদের সেরা হিসেবে তুলে ধরতে বড়ই ব্যস্তবাগীশ।নিজে নিজেকে নেতাজী হিসেবে তুলে ধরতে মরিয়া হয়ে উঠেছি। নিজের পরিচয় ভুলে গিয়ে,নিজের পিতার পরিচয় ভুলে গিয়ে কথায় কথায় এলাকার বড়ভাই,অমুকচন্দ্র হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছি।নিত্যকালের ডায়ালগ "এই তুই আমাকে ছিনিস,আমি কার লোক?তুমি এতই নিচে নেমে গেছ যে নেতার জন্য অকাতরে নিজের মুল্যবান জীবননগর ধ্বংসিকার স্তূপীকৃত করে যাচ্ছ।ন্যায়-অন্যায়,সত্য-মিথ্যা মেপে বিবেকবুদ্ধি দিয়ে রায় দিতে অক্ষম।আঠার মত লেগে আছো পদের জন্য,ব্যানারে ছবি ছাপানোর জন্য, নেতার সাথে ফেইসবুকের প্রোফাইল পিক দেওয়ার জন্য।কিন্তু কেন?
- Get link
- X
- Other Apps
♥স্বপ্ন বিলাস♥ স্বপ্নের রঙধনু আজও অস্পর্শ্য রজনী মাঝে ফেলেছি দীর্ঘশ্বাস, যাহার অন্তীম তৃপ্তি আজ অবধি মেটেনি শুধু প্রহর গুণছি অবিরাম নির্ঝরের মত, মেঘের সাথে ভেলায় ভেসে ভেসে কখনও বা নাটাই দিয়ে ঘুড়ির লগনে কখনও বা পক্ষীরাজকে সাথী করে। অশ্রান্ত উন্মাদ বায়ু আমাকে শোনায়, নিরাশার বচন আর মাঝে মাঝে শিশির ঝড়ে পড়ার মত শব্দতরঙ্গ যেন ধোঁয়াশার মত।
প্রেমকণার মরীচিকা
- Get link
- X
- Other Apps
বৃষ্টিবিন্দুগুলোর তৈরিকৃত ঝুমঝুম শব্দকোষগুলো কর্ণকুহরে যেন এক অতিতর প্রেমোদগম ভাবনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। হাজার বছরের জমাট করা আবেগ নিয়ে যখনি বৃষ্টিবিন্দুগুলো ঐ নিঠুর অহংকারী কচুপত্রের উপর আশ্রিত হয় তখন মনে হয় যেন হয়ত আবেগের বশবর্তিনী জলকণা এবার শেষমেশ স্থান পেয়ছে তাহার বুকেপিঠে। কিন্তু দেখো কি নিঠুর! কখনোই যেন তাহাকে মিশিতে দিবেনা। দমিয়ে দিয়ে থামিয়ে দিয়ে তাহার সব আবেগজাত ভালোবাসাগুলো আর জমাট করে ঠিক ছোটখাটো একটা জায়গায় মধ্যতলে বসিয়ে দেয়। তারপরও বিশ্বাসভূমি হিসেবে মনে করে ঐ পত্রটাকে। কিন্তু ঠিক উল্টো এক ভালোবাসা আছে ঐ কচুরিপানা মাঝে এই বৃষ্টিজলগুলোর জন্যে,আর এইজন্যই হয়ত সারারাত জেগে হাজারো অপেক্ষা বুকে বিধে কোন আক্ষেপ না রেখে জড়োয়া করে কিছুসংখ্যক জলকণা। কিন্তু এই ভারী বর্ষণস্নাত মূহুর্তে আমার মাঝে স্মৃতিচারণা হচ্ছে অতিতর হারানো ভাবনাগ্রস্ত আবেগপরায়ণ সময়গুলোকে নিয়ে যাহা আজও ভুলিবার নহে। পিচঢালা রাস্তাধরা দুইপাশ যেন সবুজাভ শয়নাগার। বৃষ্টিজলে ধুয়ে মুছে দিচ্ছে তাদের ক্লান্তিবিনোদনকে সাথে জমাটবদ্ধ বুকভরা বিদীর্ণ কষ্টগুলোকে।