প্রেমকণার মরীচিকা

বৃষ্টিবিন্দুগুলোর তৈরিকৃত ঝুমঝুম শব্দকোষগুলো কর্ণকুহরে যেন এক অতিতর  প্রেমোদগম ভাবনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।
হাজার বছরের জমাট করা আবেগ নিয়ে যখনি বৃষ্টিবিন্দুগুলো ঐ নিঠুর অহংকারী কচুপত্রের উপর আশ্রিত হয় তখন মনে হয় যেন হয়ত আবেগের বশবর্তিনী জলকণা এবার শেষমেশ স্থান পেয়ছে তাহার বুকেপিঠে। কিন্তু দেখো কি নিঠুর! কখনোই যেন তাহাকে মিশিতে দিবেনা। দমিয়ে দিয়ে থামিয়ে দিয়ে তাহার সব আবেগজাত ভালোবাসাগুলো আর জমাট করে ঠিক ছোটখাটো একটা জায়গায় মধ্যতলে বসিয়ে দেয়। তারপরও বিশ্বাসভূমি হিসেবে মনে করে ঐ পত্রটাকে।
কিন্তু ঠিক উল্টো এক ভালোবাসা আছে ঐ কচুরিপানা মাঝে এই বৃষ্টিজলগুলোর জন্যে,আর এইজন্যই হয়ত সারারাত জেগে হাজারো অপেক্ষা বুকে বিধে কোন আক্ষেপ না রেখে জড়োয়া করে কিছুসংখ্যক জলকণা।
কিন্তু এই ভারী বর্ষণস্নাত মূহুর্তে আমার মাঝে  স্মৃতিচারণা হচ্ছে অতিতর হারানো ভাবনাগ্রস্ত
আবেগপরায়ণ সময়গুলোকে নিয়ে
 যাহা আজও ভুলিবার নহে।
পিচঢালা রাস্তাধরা দুইপাশ
যেন সবুজাভ শয়নাগার।
 বৃষ্টিজলে ধুয়ে মুছে দিচ্ছে তাদের ক্লান্তিবিনোদনকে সাথে জমাটবদ্ধ
 বুকভরা বিদীর্ণ কষ্টগুলোকে।

Comments

Popular posts from this blog

টাখনুর নীচে কাপড় পরিধান এর বিষয় নিয়ে ইসলামী কথা বার্তা